বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রেকর্ড বেড়েছে। ফলে গত এক বছরে এ খাতে যারা বিনিয়োগ করেছেন তাদের মুনাফার পরিমাণও ছিল উল্লেখযোগ্য। তবে বর্তমানে প্রতি ট্রয় আউন্স স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৪০০ ডলারের বেশি হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে এটি অনেক ব্যয়বহুল। এ সমস্যা সমাধানে সিঙ্গাপুরে ‘ফ্র্যাকশনাল ইনভেস্টমেন্ট’ পদ্ধতিতে স্বর্ণ খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। এ পদ্ধতিতে প্রতি ট্রয় আউন্স (৩১ দশমিক ১ গ্রাম) স্বর্ণকে ছোট অংশে ভাগ করে বিক্রি করা হয়। ফলে দশমিক ১ গ্রাম স্বর্ণে মাত্র ১০ ডলার ৯০ সেন্ট খরচ করেই বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও বীমা কোম্পানিসহ অন্যদের মধ্যে চাহিদা বেড়েছে স্বর্ণের। খবর দ্য স্ট্রেইটস টাইমস।
এ বিষয়ে আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান ফিলিপ নোভার সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট প্রিয়াঙ্কা সচদেবা জানান, শুধু মুদ্রাস্ফীতির নয় বরং সামগ্রিক অনিশ্চয়তার বিপরীতে স্বর্ণ প্রতিরক্ষামূলক বিনিয়োগ খাত।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে অনলাইনে এমন অনেক প্লাটফর্ম আছে যেখানে দশমিক ১ গ্রাম পরিমাণ স্বর্ণ ক্রয় সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া স্বর্ণভিত্তিক এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডের (ইটিএফ) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পরিমাণে কম স্বর্ণের অংশীদার হতে পারছেন। যদিও এতে তারা স্বর্ণের প্রকৃত মালিক নন। বরং এর বাজারদরের সঙ্গে সম্পর্কিত শেয়ার কেনেন।
ওসিবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভাসু মেনন বলেন, ইটিএফের শেয়ার সহজে লেনদেনযোগ্য ও বাজারের কার্যদিবসে তা দ্রুত কেনাবেচা করা যায়।
উল্লেখ্য, ওসিবিসির গ্রাহকরা তাদের অ্যাপের মাধ্যমে মাত্র দশমিক ৩১ গ্রাম স্বর্ণ কিনতে ও বিক্রি করতে পারেন, সিঙ্গাপুর ডলার বা বিদেশী মুদ্রায় লেনদেন করা যায় এবং এর জন্য আলাদা কোনো চার্জ বা কাস্টডি ফি নেই।